প্রথম দফার ভোটের মতোই পশ্চিমবঙ্গে দ্বিতীয় দফার বিধানসভা ভোট অবাধ শান্তিপূর্ণ ও সুষ্ঠু হবে বলে নির্বাচন কমিশন আশ্বাস দিয়েছে। রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ কুমার আগরওয়াল জানিয়েছেন, মানুষের মধ্যে ভোট দেওয়ার ব্যাপারে যে প্রবল আগ্রহ তৈরী হয়েছে তা তিনি জেলাসফরে প্রত্যক্ষ করেছেন।দ্বিতীয় দফায় আসন সংখ্যা কম ফলে এলাকা নিয়ন্ত্রণ বা ‘এরিয়া ডমিনেশন’ আরও কার্যকরভাবে করা সম্ভব হবে বলে তিনি জানান।
এই দফায় মোট ২ হাজার ৩২১ কোম্পানী কেন্দ্রীয় বাহিনী, মোতায়েন করা হচ্ছে। পাশাপাশি থাকছেন ১৪২ জন সাধারণ পর্যবেক্ষক, ৯৫ জন পুলিশ পর্যবেক্ষক এবং ১০০ জন ব্যয় পর্যবেক্ষক। দ্বিতীয় দফার ভোটের মুখে ২৬ জন আইপিএস এবং ডব্লিউ বি পি এস আধিকারিককে বিভিন্ন পুলিশ জেলা এবং পুলিশ কমিশনারেটের আইন শৃঙ্খলা রক্ষার জন্য অতিরিক্ত দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। ডায়মন্ড হারবার পুলিশ জেলার জন্য আইপিএস সামির আহমেদ ও জর্জ অ্যালেন জন এবং ডব্লিউ বি পি এস আকাশদ্বীপ গেলটকে অতিরিক্ত দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। একইভাবেসুন্দরবন, বারুইপুর, বনগাঁ, বসিরহাট, রানাঘাট, বারাসত, কৃষ্ণনগর পুলিশ জেলা, হুগলি ও হাওড়া গ্রামীণ, চন্দননগর, ব্যারাকপুর, হাওড়া পুলিশ কমিশনারেট এবং পূর্ব বর্ধমানের জন্য অতিরিক্ত দায়িত্ব দিয়ে নিয়ে আসা হয়েছে উচ্চ পদস্থ পুলিশ আধিকারিকদের।
দ্বিতীয় দফায় ৩৯ হাজার ৩০১-টি প্রধান ও ১ হাজার ৭-শো অক্সিলিয়ারি সহ মোট ৪১ হাজার ১-টি ভোটগ্রহণ কেন্দ্র খোলা হচ্ছে। এর মধ্যে শহরাঞ্চলে ১৪ হাজার ২১৮ এবং গ্রামাঞ্চলে ২৫ হাজার ৮৩-টি প্রধান ভোটগ্রহণ কেন্দ্র খোলা হচ্ছে। মহিলা পরিচালিত ভোটগ্রহণ কেন্দ্রের সংখ্যা ৮ হাজার ৮৪৫ –টি ২৯৮-টি মডেল ভোটগ্রহণ কেন্দ্র থাকছে। বিশেষভাবে সক্ষম ব্যক্তিরা ১৩-টি ভোটগ্রহণ কেন্দ্র পরিচালনা করবেন।
উল্লেখ্য, রাজ্যে প্রথম দফার নির্বাচনে গত ২৩শে এপ্রিল রেকর্ড ৯৩ দশমিক এক নয় শতাংশ ভোট পড়ে।