৭৭ তম সাধারণতন্ত্র দিবসে আগামী সোমবার জাতীয় রাজধানী অঞ্চলের কর্তব্যপথে কুচকাওয়াজের প্রস্তুতি এখন তুঙ্গে। কুচকাওয়াজে দেশের সংস্কৃতি, সেনাবাহিনীর শক্তি এবং ঐতিহ্য প্রদর্শিত হবে। অংশগ্রহনকারী সশস্ত্র সেনার একাধিক দল এবং বিভিন্ন রাজ্যের ট্যাবলোয় তুলে ধরা হবে শক্তির বৈচিত্র এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক সংস্কৃতির নিদর্শন। গতকাল বৃষ্টির মধ্যেই সাধারণতন্ত্র দিবসে হতে চলা কুচকাওয়াজের পূর্ণাঙ্গ মহড়া অনুষ্ঠিত হয়। নতুন দিল্লীতে দিল্লী সাব এরিয়ার চীফ অফ স্টাফ মেজর জেনারেল নভরাজ ঢিলন বলেন, অপারেশন সিন্দুরের ওপর নির্মিত একটি ট্যাবলোয় ভারতীয় সেনা দেশের জয় এবং বাহিনীর তিন শাখার মধ্যে সমন্বয়কে তুলে ধরা হবে। ট্যাঙ্ক, ক্ষেপণাস্ত্র, ড্রোন এবং সাঁজোয়া গাড়ির পাশাপাশি সেনার সুসমন্বিত রণকৌশলের অঙ্গ হিসেবে বিভিন্ন ফর্মেশনে কুচকাওয়াজে অংশ নেবেন জওয়ানরা। তিনি জানান, লেফট্যানেন্ট জেনারেল ভাবনিশ কুমার এই নিয়ে চতুর্থ বার কুচকাওয়াজে নেতৃত্ব দেবেন। কমপক্ষে সাড়ে ৬ হাজার সেনা কর্মী এতে অংশ নেবেন। মেজর জেনারেল ঢিলন বলেন, এই প্রথম কুচকাওয়াজে দেখা যাবে ভৈরব ব্যাটেলিয়ান, শক্তিবান রেজিমেন্ট, লাদাখ স্কাউটস, কাইটস, জান্সকার পনিস এবং ব্যাকট্রিয়ান ক্যামেল।
এয়ার কমোডর মনিশ সাভারওয়াল জানান, অপারেশন সিন্দুরের ট্যাবলোয় পাকিস্তানের বায়ুসেনা ঘাঁটি ধ্বংসকারী SU-30র মাধ্যমের ব্রাহ্মোসের উৎক্ষেপণ প্রদর্শিত হবে। এ ছাড়াও বিশ্বের দীর্ঘতম রেঞ্জ থেকে পাকিস্তানের বায়ু সেনার ওপর আক্রমণকারী বায়ু প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাপনা S-400 ও থাকছে। এয়ার কমোডর বলেন, এই ট্যাবলোর মূল বার্তাই হলো – একত্রে লড়াই করলে জয় অবশ্যম্ভাবী।
উল্লেখ্য, কুচকাওয়াজ দেখতে যাওয়া দর্শকদের সুবিধার্থে সোমবার ভোর রাত তিনটে থেকে পরিষেবা দেবে দিল্লী মেট্রো।