প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর উদ্বোধনের পরেই মা সারদার জন্মভূমি জয়রামবাটিতে বহু প্রতীক্ষিত ট্রেন পরিষেবা শুরু হওয়ায় খুশি সাধারণ মানুষ। মা সারদা কলকাতা যাতায়াত করতেন বিষ্ণুপুর স্টেশন থেকে ট্রেন ধোরে। এজন্য তাঁকে জয়রামবাটি থেকে বিষ্ণুপুর স্টেশন পর্যন্ত প্রায় ৪০ কিলোমিটার রাস্তা যাতায়াত করতে হত গরুর গাড়িতে। সেই জয়রামবাটিকে রেলপথে যুক্ত করার দাবি ছিল দীর্ঘদিনের।
২০০০- ২০০১ অর্থবর্ষে জয়রামবাটি হয়ে বিষ্ণুপুর তারকেশ্বর রেলপথ নির্মাণের প্রকল্পের সূচনা হলেও ভাবাদিঘির জমিজটের কারণে দীর্ঘদিন ধরে থমকে যায় রেলপথ নির্মাণের কাজ। রেলের তরফে জানানো হয়েছে, আপাতত একটি ট্রেন প্রতিদিন বাঁকুড়া থেকে জয়রামবাটি পর্যন্ত যাতায়াত করবে। এই রেললাইন তারকেশ্বরের সঙ্গে যুক্ত হলে সরাসরি হাওড়া পর্যন্ত ট্রেন চলাচল শুরু হবে। এর ফলে শুধু এলাকার আর্থ সামাজিক পরিস্থিতির বদল হবে তাই নয়, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও পর্যটনেরও বিকাশ ঘটবে। ট্রেন পরিষেবা শুরু হতেই আশপাশের বহু এলাকার মানুষ এমনকি স্থানীয় বিভিন্ন মন্দির ও মিশনের সাধু সন্ন্যাসীরাও উপস্থিত হয়েছিলেন মাতৃ জয়রামবাটি স্টেশনে।