নবরাত্রির সূচনা লগ্নে আজ থেকে দেশ জুড়ে পণ্য পরিষেবা করের পরিবর্তিত হার কার্যকর হচ্ছে। এই আবহে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, ‘GST বাঁচত উৎসব’ সূচনার ঘোষণা করেছেন। এর মধ্য দিয়ে দেশের কর ব্যবস্থার নতুন এক অধ্যায় শুরু হল। প্রধানমন্ত্রী একে সহজ-সরল-স্বচ্ছ ও নাগরিক বান্ধব বলে অভিহিত করেছেন। অত্যাবশ্যক পণ্য ও পরিষেবার ক্ষেত্রে বাড়তি করের বোঝা কমিয়ে, পরবর্তী প্রজন্মের সংস্কার নাগরিকদের প্রত্যক্ষ স্বস্তি এনে দেবে। নতুন কর ব্যবস্হায় চারটি ধাপের পরিবর্তে পাঁচ ও ১৮ শতাংশে দুটি ধাপ রাখা হয়েছে। নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিষ, ওষুধ, স্বাস্হ্যবীমা সহ একাধিক ক্ষেত্রে GST হ্রাস ও মুকুব করা হয়েছে। জাতির উদ্দেশে এক ভাষণে গতকাল প্রধানমন্ত্রী বলেন, পরবর্তী প্রজন্মের GST সংস্কার কার্যকর হওয়ার মাধ্যমে এক দেশ–এক করের স্বপ্ন বাস্তবায়িত হবে।
প্রধানমন্ত্রী জানান, এখন থেকে মানুষ অনেক কম দামে তাদের পছন্দের জিনিসপত্র কিনতে পারবেন। কর কাঠামোর সংস্কারের ফলে দেশের আর্থিক বৃদ্ধি তরান্বিত হবে। উপকৃত হবেন যুব, মধ্যবিত্ত, কৃষক, মহিলা ও ব্যবসায়ী, দোকানি এবং শিল্প উদ্যোক্তারা। প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের উন্নয়নে প্রত্যেক রাজ্যকে সমানভাবে অংশ নিতে হবে। পরবর্তী প্রজন্মের GST সংস্কার, সঞ্চয় উৎসব এবং নবরাত্রি উপলক্ষে দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়ে শ্রী মোদী বলেন, আত্মনির্ভর ভারত গঠনের পথে দেশবাসী আরও এক ধাপ এগিয়ে গেল। দেশের নাগরিকরা এতদিন জটিল কর ব্যবস্হায় সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছিলেন, তাঁর সরকার সমগ্র কর ব্যবস্থার সরলীকরণ করেছে। ২০১৪ সালে ক্ষমতায় আসার পর সংশ্লিষ্ট সকলের সঙ্গে আলোচনার ভিত্তিতে GST চালু করা হয়। কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের প্রচেষ্টায় বাতিল করা হয় শতাধিক কর। প্রধানমন্ত্রী বলেন, গত ১১ বছরে ২৫ কোটি মানুষ দারিদ্র সীমা থেকে বেরিয়ে এসেছেন। এবছর সরকার আয়করে ছাড়ের কথা ঘোষণা করায় মধ্যবিত্তরা বিশেষ সুবিধা পেয়েছেন।
দেশ জুড়ে GST-র হার কমানোর ফলে উৎসবের মরশুমে বিভিন্ন পণ্য সামগ্রী আরো ব্যয় সাশ্রয়ী মূল্যে নাগরিকদের কাছে পৌঁছবে।