রেল দুর্ঘটনায় হাতির মৃত্যু কমাতে সরকার একগুচ্ছ পদক্ষেপ নিচ্ছে বলে কেন্দ্রীয় পরিবেশ, বন, জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক মন্ত্রী ভূপেন্দ্র যাদব জানিয়েছেন। দক্ষিণ ২৪ পরগণার সুন্দরবনের গোসাবায় আজ জাতীয় ব্যাঘ্র সংরক্ষণ কর্তৃপক্ষ এনটিসিএ ২৮ তম এবং প্রজেক্ট এলিফ্যান্টের স্টিয়ারিং কমিটির ২২তম বেঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন মন্ত্রী ভূপেন্দ্র যাদব। তিনি জানান, রেলকে দুর্ঘটনাপ্রবন এলাকা চিহ্নিত করতে বলা হয়েছে। এছাড়া জেলাশাসক ও পুলিশ সুপারদের নিয়ে হোয়াইটস্ অ্যাপ গ্রুপ তৈরি করে পরিস্থিতির ওপরে নজর রাখতে হবে। কুনকি হাতি বাড়ানোর পরামর্শও দেওয়া হয়েছে। হাতির আক্রমণে মৃতদের পরিবারকে সাহায্য দেওয়ার প্রক্রিয়া আরও সহজ করা হবে বলেও মন্ত্রী জানান।
এদিন সংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে শ্রী যাদব সুন্দরবনের পরিকাঠামো উন্নয়নে রাজ্য সরকারের সদিচ্ছার অভাব নিয়ে সমালোচনায় সরব হন। উপকূল অঞ্চলে ম্যানগ্রোভ সংরক্ষণ ও এলাকায় আর্থ সামাজিক উন্নয়ন বা ‘MISHTI’ প্রকল্প রূপায়নে রাজ্য সরকার উদাসীন বলে অভিযোগ করেন মন্ত্রী।
আজকের বৈঠকে দেশজুড়ে মানুষ এবং হাতির মধ্যে সংঘাত নিরসনে গৃহীত বিভিন্ন ব্যবস্থা পর্যালোচনা করা হয়।